shilpanchaltoday shilpanchaltoday shilpanchaltoday shilpanchaltoday shilpanchaltoday shilpanchaltoday shilpanchaltoday shilpanchaltoday

Asansol Times

Asansol Times News

WhatsApp Image 2025-05-17 at 11.36.44 AM
WhatsApp Image 2025-05-17 at 11.36.45 AM
WhatsApp Image 2025-05-05 at 10.37.07
WhatsApp Image 2024-12-02 at 3.16.11 PM
g1
G2
logo
rajhans FNL
asn
WhatsApp Image 2023-11-13 at 3.05.53 PM
IMG-20220308-WA0001
IMG-20220314-WA0011
Slide
file_00000000b4247208a6608831137125d0
IMG-20260623-WA0039

আবারো সক্রিয় ‘কয়লা তোলাবাজি নেটওয়ার্ক’, নির্বাচনের পর নতুন আলোড়ন

1 min read

: পশ্চিম বর্ধমানের কয়লা বেল্ট-বিশেষ করে জামুড়িয়া, পাণ্ডবেশ্বর এবং রানিগঞ্জ এলাকাগুলি- আবারও বেআইনি তোলা আদায় এবং ‘ডিও’ ভিত্তিক তোলা আদায়ের খেলার জন্য শিরোনামে ৷ স্থানীয় সূত্রের দাবি, নির্বাচন শেষ হতে না হতেই এই নেটওয়ার্ক আবারও গতি পেয়েছে এবং এখন নতুন নামে পুরনো খেলাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

পুরো বিষয়টি কী: ‘ডিও সিস্টেমে’ অবৈধ তোলা আদায়ের খেলা
আসানসোল-রানিগঞ্জ কয়লা ক্ষেত্রে কয়লা সরবরাহের একটি বড় অংশ “ডিও সিস্টেম” এর মাধ্যমে, অর্থাত্ অনুমোদিত সরবরাহ আদেশের মাধ্যমে পরিবহন এবং বিক্রয়। কিন্তু এ ব্যবস্থার নামে অবৈধ আদায়ের সমান্তরাল ব্যবস্থা চলছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
সূত্রের মতে, জামুড়িয়া এবং পাণ্ডবেশ্বর এলাকায় কিছু স্থানীয় গ্যাং প্রতি ট্রাক/টন কয়লার উপর “কাট” করছে।
প্রতি টন 1650 থেকে 2500 টাকা তোলা দাবি করা হচ্ছে।
জানা যায় প্রতিদিন লাখ লাখ টাকার লেনদেন হয়। এমনকি বৈধ ব্যবসায়ীরাও চাপের মুখে টাকা দিতে বাধ্য হচ্ছেন বলে জানা গেছে। এই মডেলটি নতুন নয় – বরং এটি ইতিমধ্যে বিদ্যমান ‘সিন্ডিকেট সিস্টেম’-এর একটি আপডেট সংস্করণ হিসাবে বিবেচিত হয়। আজ যে অভিযোগ উঠছে তার প্যাটার্ন ইতিমধ্যেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে—শুধু মুখ এবং অংশ পরিবর্তিত হচ্ছে।

কে চালাচ্ছে খেলা? (সূত্রের দাবি)
স্থানীয় পর্যায়ে ‘মইজুল’ ও ‘বিজয়’ দুটি নাম ক্রমেই আলোচিত হচ্ছে। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে এসব নাম নিশ্চিত করা হয়নি, তবে সূত্র বলছে: এসব লোক স্থানীয় নেটওয়ার্কের মাধ্যমে পরিবহন ও ডিও হোল্ডারদের কাছ থেকে অবৈধ তোলাবাজি করছে। এখন এখানে প্রশ্ন উঠছে, রাজনৈতিক সুরক্ষা বা ‘ছাতা’ ছাড়া এত বড় পরিসরে অবৈধ তোলাবাজি কি সম্ভব?

নির্বাচনের আগেও বিষয়টি নিয়ে উত্তাপ ছিল
2026 সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই ইস্যুটি একটি বড় রাজনৈতিক অস্ত্র হয়ে উঠেছে। বিরোধীরা অভিযোগ করেছিল যে “কয়লা সিন্ডিকেট” ক্ষমতার সাথে যুক্ত। ক্ষমতাসীন দল পাল্টা আঘাত করে বলেছে যে কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জন্য পদক্ষেপ করছে। নির্বাচনী সভা-সমাবেশে “কয়লা মাফিয়া” একটি বড় ইস্যু ছিল।

সবচেয়ে বড় প্রশ্ন
এখন যেহেতু নির্বাচন শেষ হয়েছে এবং ক্ষমতার পালাবদল হয়েছে, সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হচ্ছে এই তোলাবাজির খেলা আবার আগের পর্যায়ে ফিরছে কি না কি শুধুই সরকার পরিবর্তনের পর নতুন ‘খেলোয়াড়দের’ প্রবেশ?
আসানসোলের কয়লা শুধু মাটির নিচেই জ্বলে না… “টাকার আগুন” তার উপরেও জ্বলতে থাকে।
সরকার বদলায়… নাম বদলায়… কিন্তু কয়লা সিন্ডিকেটের খেলা একই থাকে ও এভাবেই চলতে থাকে।.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You cannot copy content of this page